রূপসা নদীর তীরের মানুষ থেকে শুরু করে বাগেরহাটের গঞ্জের খেলোয়াড় – খুলনা বিভাগের হাজারো মানুষ আজ Taka 7-এর সক্রিয় সদস্য। আপনিও যোগ দিন।
এই সপ্তাহের বিজয়ী
Taka 7-এ এই সপ্তাহে খুলনার যারা সবচেয়ে বড় জয় পেয়েছেন।
এলাকাভিত্তিক তথ্য
খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় প্রতিদিন নতুন সদস্য যোগ দিচ্ছেন।
সর্বোচ্চ সদস্যসংখ্যা
ফিশিং গেম জনপ্রিয়
দ্রুত বাড়ছে
ক্র্যাশ গেম পছন্দের
স্লট প্রেমীদের এলাকা
নতুন কমিউনিটি
খুলনার গল্প
খুলনাকে বাংলাদেশের শিল্পনগরী বলা হলেও, এই শহরের মানুষের মধ্যে প্রযুক্তি গ্রহণের আগ্রহ সবসময়ই বেশি। নতুন অ্যাপ হোক বা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম – খুলনার তরুণরা দ্রুত এসব আয়ত্ত করে নেন। Taka 7-এর ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
খুলনা শিপইয়ার্ড এলাকা থেকে শুরু করে বয়রা, সোনাডাঙ্গা – শহরের প্রায় প্রতিটি পাড়ায় এখন Taka 7-এর চেনা মুখ পাওয়া যাবে। বিশেষত রাতের দিকে, কর্মব্যস্ত দিনের শেষে অনেকেই ঘরে বসে কিছুটা সময় কাটাতে ক্র্যাশ গেম বা ফিশিং খেলেন।
সুন্দরবনের কাছের এই অঞ্চলের মানুষের মাছের প্রতি স্বাভাবিক টান আছে। হয়তো সেই কারণেই রয়্যাল ফিশিং গেমটা খুলনায় এত জনপ্রিয়। অনেকে বলেন, "ভৈরব নদীতে মাছ ধরার মজা না পেলেও, Taka 7-এর ফিশিং গেমে তার কাছাকাছি একটা অনুভূতি পাই।"
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা থেকে শুরু করে স্থানীয় ব্যবসায়ী, দিনমজুর – বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ Taka 7-এ সক্রিয়। শিক্ষার্থীরা বেশিরভাগ ছোট বেটে খেলেন এবং বোনাস সুবিধা কাজে লাগান। ব্যবসায়ীরা তুলনামূলক বড় বাজেটে খেলেন।
"খুলনায় লোডশেডিং থাকলেও মোবাইল ডেটায় Taka 7 দারুণ চলে। সন্ধ্যায় ডুমুরিয়ার বাড়িতে বসে খেলি, সকালে টাকা Nagad-এ চলে আসে।" – রিপন সরকার, ডুমুরিয়া
খুলনার ব্যবহারকারীরা সবচেয়ে বেশি প্রশংসা করেন Taka 7-এর ফাস্ট উইথড্রয়াল নিয়ে। বিশেষত bKash এবং Nagad-এর মাধ্যমে টাকা তোলা অত্যন্ত দ্রুত হয়। গড়ে ৬-৮ মিনিটে ব্যালেন্স মোবাইল ওয়ালেটে চলে যায় বলে খুলনার সদস্যরা জানান।
মাসিক র্যাঙ্কিং
এই মাসে খুলনা বিভাগের সবচেয়ে বেশি জেতা খেলোয়াড়দের তালিকা।
| # | নাম | এলাকা | পছন্দের গেম | মোট জয় |
|---|---|---|---|---|
| 🥇 | মাহিন হোসেন | সদর | ক্র্যাশ | ৳৫৬,০০০ |
| 🥈 | সাইফুল ইসলাম | দিঘলিয়া | স্টারলাইট | ৳৩৩,২০০ |
| 🥉 | রিপন সরকার | ডুমুরিয়া | ক্র্যাশ | ৳২৮,৪০০ |
| ৪ | তানিয়া বেগম | বাগেরহাট | ফিশিং | ৳১৮,৫০০ |
| ৫ | জেসমিন আক্তার | রূপসা | স্লট | ৳১১,৬০০ |
| ৬ | নাসরিন খানম | ফুলতলা | বাফেলো কিং | ৳৭,৯০০ |
| ৭ | শামীম হাওলাদার | যশোর | ফিশিং | ৳৬,৪০০ |
| ৮ | পারভিন সুলতানা | সাতক্ষীরা | স্লট | ৳৫,১০০ |
| ৯ | হাফিজুর রহমান | কয়রা | ক্র্যাশ | ৳৪,৭০০ |
| ১০ | মুক্তা রানী | নড়াইল | স্টারলাইট | ৳৩,৯০০ |
গেমের জনপ্রিয়তা
* Taka 7-এর মোট সদস্যসংখ্যার শতাংশ হিসেবে
মাসিক বৃদ্ধি
সুবিধাসমূহ
খুলনার সদস্যদের জন্য বিশেষ রিজিওনাল টুর্নামেন্ট হয় প্রতি মাসে। বিজয়ীরা নগদ পুরস্কার পান।
Taka 7-এর অ্যাপ খুলনার নেটওয়ার্কে অত্যন্ত দ্রুত চলে। দুর্বল সংযোগেও গেম নির্বিঘ্নে খেলা যায়।
খুলনার bKash ও Nagad নম্বরে গড়ে ৬-৮ মিনিটে টাকা পৌঁছে যায়। রাত বা দিন, যেকোনো সময়।
Taka 7-এর লাইভ সাপোর্ট সম্পূর্ণ বাংলায়। যেকোনো সমস্যায় মিনিটের মধ্যে সাড়া পাবেন।
খেলোয়াড়দের কথা
"বাগেরহাটে থাকি, ইন্টারনেট সবসময় ভালো থাকে না। কিন্তু Taka 7-এর ফিশিং গেম কম নেটেও চমৎকার চলে। গত মাসে ৳১৮,৫০০ জিতেছিলাম, সেই আনন্দটা এখনো মনে আছে।"
"ক্র্যাশ গেমে অটো ক্যাশআউট ব্যবহার করি। Taka 7-এর এই ফিচারটা দারুণ – রান্না করতে করতেও গেম চলে। খুলনায় এত সহজ উইথড্রয়াল আর কোথাও পাইনি।"
"যশোর থেকে Taka 7-এ ঢুকি প্রতিদিন। বন্ধুকে রেফার করে বোনাস পেয়েছিলাম, সেই দিয়ে প্রথম বড় জয়। এখন নিয়মিত খেলি, পরিবারের ছোট ছোট খরচ মেটে এই আয়ে।"
প্রশ্নোত্তর
খুলনার কমিউনিটি
সুন্দরবনের শহরের হাজারো খেলোয়াড়ের সাথে Taka 7-এ। নিবন্ধন করুন, আপনার শহরের কমিউনিটির অংশ হন।